এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...
বর্তমান সময়ে লোন পাওয়া খুবই সহজ হয়ে গিয়েছে। কারণ এখন লোন নেওয়ার জন্য আগের মতো অনেক অনেক কাগজপত্র কিংবা অনেকবার ব্যাংকে ছোটাছুটি করা এসব করতে হয় না। এখন প্রায় প্রতিটি ব্যাংক নিজস্ব অ্যাপস তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে আপনি বাড়িতে বসেই ওই ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে চেষ্টা করবেন যে সমস্ত ব্যাংক এর যথেষ্ট নাম রয়েছে কিংবা যে ব্যাংকে আপনার নিজস্ব সেভিংস একাউন্ট কিংবা স্যালারি একাউন্ট রয়েছে, সেই সমস্ত ব্যাংকে আপনি লোনের আবেদন করলে লোন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আপনার যে ব্যাংকে সেলারি একাউন্ট রয়েছে ওই ব্যাংকের আপনি অ্যাপসের মাধ্যমে কিংবা আপনার নেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আপনি লোনের আবেদন করতে পারেন। যেখানে আপনার স্যালারি যদি পনেরো হাজার টাকার উপরে হয়ে থাকে আপনার ব্যাংক থেকে লোনের অফার পেতে পারেন, যেখানে আপনি খুব সহজেই ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার লোনের টাকা ক্রেডিট হয়ে যেতে পারে। কারণ এখন লোনের সমস্ত কিছু প্রসেস অনলাইন হয়ে গিয়েছে আপনার আধার কার্ডের সাথে যদি আপনার মোবাইল নাম্বার লিঙ্ক হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি ...