এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...
গুরু পূর্ণিমার মাধ্যমে শীর্ষ তার গুরু কে শ্রদ্ধা জানাই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে পালিত হয় এই অনুষ্ঠান। সনাতন হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মে এই পূর্ণিমার বিশেষ তাৎপর্য আছে।

সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন এই তিথিতেই মনি পরাশর ও তার স্ত্রী মাতা সত্যবতীর ঘরে মহাভারতের রচয়িতা বেদোভ্যাসের জন্ম হয় তাই এই দিনটি মহর্ষি বেদব দেশের জন্ম জয়ন্তী হিসেবেও পালিত হয়।
বিশ্বাস করা হয় মহর্ষি বেশি চারটি বেদের ব্যাখ্যা করেছেন বেদ বিভাজনের শ্রেয় তাকিয়ে দেওয়া হয় তাই তার নাম হয়েছে বেদব্যাস।
এছাড়া ১৮ টি পুরান মহাভারত শ্রীমৎ ভাগবত গীতা তিনি রচনা করেন এই কারণে গুরু পূর্ণিমার আরেকটি নাম ব্যাস পূর্ণিমা।
অন্যদিকে বৌদ্ধ ধর্ম মতে বোধি জ্ঞান লাভের পর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে সারণাথে প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন ভগবান গৌতম বুদ্ধ তার শিষ্যদের ।
হিন্দু পুরান মতে ভগবান শিব বা মহাদেব হলেন আদি গুরু। সপ্তর্ষীর সাতজন ঋষি তার প্রথম শীর্ষ এনারা হলেন অত্রি, বশিষ্ঠ, পুলহ, অঙ্গিরা, পুলস্থ, মরিচি এবং কেতু।
মহাদেশ এই তিথিতে আদি গুরুতে রূপান্তরিত হয়েছিলেন এবং সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেছিলেন তাই এই তিথি গুরু পূর্ণিমা নামে পরিচিত।
সংস্কৃত ভাষায় গুরু শব্দের অর্থ "গু" অর্থাৎ অন্ধকার "রূ " অর্থাৎ অন্ধকারকে দূরীভূত করা অর্থাৎ যিনি আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যায়। মনের সকল অজ্ঞতা দূর করে নতুন পথের দিশা দেখায়। তিনিই হলেন প্রকৃত গুরু।
আমাদের দেশ ভারত বর্ষ গুরু কে ভগবানের সাথে তুলনা করা হয় এখানে, তাই গুরু কে শ্রদ্ধা জানাতে বৈদিক যুগ থেকেই গুরু পূর্ণিমা পালিত হয়ে আসছে তাছাড়া এখানে এও মনে করা হয় এই দিনে গুরুকে পুজো করলে বিশেষ আশীর্বাদ প্রাপ্ত হওয়া যায়।
Comments
Post a Comment