Skip to main content

পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন যা আপনার মোবাইল ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দেবে......

এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...

মহানতার সাথে যুক্ত হও ক্ষুদ্রতা ত্যাগ কর

         সুযোগকে সঠিকভাবে চিনে নিয়ে তার সদুপযোগ যারা করতে পেরেছে তারাই চিরকাল শ্রেষ্ঠতার অধিকারী হতে পেরেছে। আর যদি যখনই সময়ের পরিবর্তন হয়েছে তখন তা কারো একার দ্বারা নয় বরং সকল অগ্রগামীদের সামুহিক প্রয়াসের মাধ্যমেই সেই মহৎ পুরুষার্থ সম্পন্ন হয়েছে। অবতারদের পরম্পরাও এই বিষয়ে সাক্ষী আছে।
যেমন রাম অবতরণের সময় লক্ষণ, হনুমান, অঙ্গদ, বিভীষণ, সুগ্রিব, নল ও নলিদের মতো বলিষ্ঠ এবং সামান্য ভাল্লুক ও বানর সেনার মত কনিষ্ঠরা সকলে মিলে সমানভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। জটায়ু আর ছোট্ট কাঠবিড়ালির মত অকিঞ্চনরাও তাদের সামর্থ্য অনুসারে নিজেদের ভূমিকা পালন করেছিল। কৃষ্ণের সময়ে পঞ্চপান্ডব থেকে শুরু করে গোঁফ বালোকরা পর্যন্ত সবাই মিলে সহযোগিতা করেছিল বুদ্ধদেবের সাথে তার ভিক্ষুকরা এবং গান্ধীজীর সাথে সত্যাগ্রহীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলেছিলেন।
         ঈশ্বর সর্বশক্তিমান তিনি ইচ্ছা করলেই এই পৃথিবীকে তার আঙুলের ডগায় তুলে ধরতে পারেন এবং বরাহ ও নৃসিংহের মতো একাই অভিষ্ঠ প্রয়োজনও পূর্ণ করতে পারেন কিন্তু প্রিয়জনদের শ্রেয় প্রদান করাও অবতারদের একটি অন্যতম বড় গাছ শবরী ও কুব্জার মত মহিলা এবং কেবল শুধু আমার মতো পুরুষের পক্ষেই অবতারদের সখা সহচর হওয়ার সুযোগ হয়েছিল।
মহাত্মা গান্ধীর সান্নিধ্যে যেমন বিনোভা ভাবে এবং বুদ্ধদেবের সহচর আনন্দের মতো অসংখ্য মানুষের ভাগ্যে এই ধরনের শ্রেয় লাভ করার সুযোগ হয়েছিল। ভগবানের অন্যান্য ভক্তদের মধ্যে নারদের মতো দেবর্ষি বশিষ্ঠ মুনির মত মহর্ষি বা বিভীষণের মতো অগণিতরা অবিচ্ছিন্ন রূপে জশস্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সহযোগিতা কে সংগঠনের শ্রেষ্ঠ শক্তিরূপে প্রমাণিত করার জন্য মহান শক্তিধারীরা চিরকাল ধরে জাগ্রত আত্মাদের কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনের সময় অগ্র সারিতে দাঁড় করানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে সেই প্রচেষ্টাই করে গেছেন। এই কারণেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে অর্জুনকে ভৎসনার পন্থাও অবলম্বন করতে হয়েছিল সুগ্রিমকে ধমক দেওয়ার জন্য লক্ষণকে যেতে হয়েছিল রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তো বিবেকানন্দকে এক প্রকার ঠেলেই এগিয়ে দিয়েছিলেন। আম্রপালি, অঙ্গলিমাল,হর্ষবর্ধন এবং সম্রাট অশোকের কাছ থেকে যতটা নেওয়া হয়েছিল তার শতগুণ তাদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল। ভামাসাহের সৌভাগ্যকে আজও ধনবানরা ঈর্ষা করতে থাকে।
           ভগৎ সিং এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্রের মতো যশ লাভের সম্ভাবনা থাকলে সেই পথে চলার জন্য হাজার হাজার মানুষকে উদগীব হতে দেখা যাবে। ভগবান রামচন্দ্রকে যেমন কেবট মাঝি খেয়া পারাপারের পয়সা না নিয়ে নদী পার করে দিয়েছিল তেমন করে যদি ঠিকমতো বোঝানো যায় তাহলে অসংখ্য মানুষও নিঃস্বার্থভাবে তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে প্রস্তুত হতে পারে সরদার প্যাটেল কিংবা জহরলাল নেহেরু হওয়ার জন্য আজও অনেকে নিজের অকালতি ছেড়ে দিতে প্রস্তুত হবে কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো সময়কে চেনা এবং উপযুক্ত সুযোগের সদ্ব্যবহার করার জন্য এগিয়ে আসার মত সাহস জোটানো তাদের দ্বারা কোনমতেই সম্ভব হয়ে ওঠেনা একমাত্র সচেতন ব্যক্তিরাই মহত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হয়ে থাকে, তারাই একমাত্র সাহস সঞ্চয় করে এগিয়ে আসতে পারে এবং অবিস্মরণীয় মহামানবের পদবী গ্রহণ করে থাকে এখন এমন সৌভাগ্য লাভ করা সত্ত্বেও মহানাতাগামীদের বিবেক বুদ্ধি প্রধান ভূমিকা পালন করে। একেই উপনিষদের ভাষায় বলা যেতে পারে "মহানতা যাকে চায় তাকেই বরণ করে থাকে"। এই উক্তিটিতে নিহিত দৈব অনুগ্রহের নির্ণয়ের মধ্যে কোনটিকে সত্য মনে করা হবে?
      চন্দন গাছের সান্নিধ্যে থাকা ঝোপ ঝাড়েরও সুগন্ধিতা হয়ে ওঠা এবং একই মূল্যে বিক্রি হওয়ার কিংবদন্তি সুবিখ্যাত। দুধে জল মিশিয়ে একই দামে বিক্রি করার উক্তি টি প্রায় প্রতিদিনই ব্যাবহৃত হয়। পরশ পাথরের স্পর্শে কালো এবং সস্তা দামের লোহাও শোনার মত গৌরবান্বিত বহুমূল্য ধাতুতে পরিবর্তিত হওয়া কথাটি সুপ্রসারিত। স্বাতী নক্ষত্রের জলবিন্দু লাভ করে ঝিনুকের মতো উপেক্ষিত বস্তুর ও মুখ তোর মত মূল্যবান রত্ন প্রসব করার শ্রেয় প্রাপ্তি হয়ে থাকে। বড় গাছের সাথে জড়িয়ে থাকা সামান্য লতা গাছও সেই গাছটির সামান্য উঁচুতে উঠে যায় এবং নিজের উন্নতি দেখে গর্ব অনুভব করে যদিও সে তার নিজস্ব শক্তির সাহায্যে মাটিতেই কিছুটা দূর লুতিয়ে যেতে পারে তার এই দুর্বল খাইয়া দেখে তার পক্ষে এতটা উঁচুতে উঠতে পারার বিষয়টি কিছুতেই বোধগম্য হয় না কিন্তু বড় গাছের সান্নিধ্য লাভ করা আর তার সাথে জড়িয়ে পড়ার প্রচেষ্টা সোনায় সোহাগার মত সমন্বয় তৈরি করে থাকে মহান পক্ষের এতে কোন প্রকার ক্ষতি হয় না এবং দুর্বলপক্ষ অনায়াসেই দৈব অনুগ্রহের সমান সুফল লাভ করে থাকে।
উপরোক্ত উদাহরণটি কেবল সুযোগের গুরুত্ব বোঝাবার জন্যই দেওয়া হল তার মাধ্যমে একথায় বোঝানোর জন্যই দেওয়া হল তার মাধ্যমে একথাই বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে মহতের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে তার সহযোগিতার সুযোগ লাভ করাও অনেক সময় অপ্রত্যাশিত সৌভাগ্যের রূপে দেখা দিয়ে থাকে সাধারণত তেমন সুযোগ পাওয়া সব সময় সবার পক্ষে সম্ভব হয় না হনুমানের উদাহরণও অনেকটা একই ধরনের সেসব সময় সুগ্রীবের সহযোগী হয়ে থাকতো কিন্তু রাজা বালি যখন সমস্ত ঐশ্বর্য ও স্ত্রীকে অপহরণ করে পালিয়ে যায় তখন সে প্রতিরোধ করার মত পৌরুষ দেখাতে পারেনি। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে সেই সময় হনুমানও সুগ্রিবের মত নিজেকে অসামর্থ্য বোধ করেছিল। এবং কোনভাবে প্রাণ বাঁচানোর জন্য কোন গুহায় আশ্রয় নেওয়াতেই নিজের মঙ্গল হবে ভেবে নিয়েছিল কিন্তু সে যখন প্রাণ হাতে নিয়ে পারমার্থিক প্রয়োজনে সংলগ্ন হয়ে পড়ে তখন পর্বত উপরে আনা লাফিয়ে সমুদ্র অতিক্রম করা অশোক বাটিকা তছনছ করে দেওয়া লঙ্কাপুরী জ্বালিয়ে দেওয়ার মত পরাক্রম দেখিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিল সুগ্রীব পত্নীকে রক্ষা করতে অসমস্ত হলেও ভিন দেশে গিয়ে সমুদ্রবক্ষে অবস্থিত দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করে সীতাকে মুক্ত করতেও সক্ষম হয়েছিল এর দ্বারাই দৈব সহায়তার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করা যায়। এই ধরনের অনুগ্রহ লাভ করার সুযোগ তারা সকলেই পেয়েছিল যারা রামচন্দ্রের গৌরব গরিমাকে তার লীলা প্রসঙ্গকে সহযোগিতা করার পরিণতির বিষয়টি পূর্ব কল্পনা করে নিতে পেরেছিল। বয়োবৃদ্ধ জাম্বুবন্ত এবং জটায়ু সামান্য কাঠবেড়ালি কেবট এবং শবরির সামর্থ্য ও ভূমিকাগুলো যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে দেখা যাবে যে অত্যন্ত নগণ্য অবদান থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম আজও অক্ষয় অমর হয়ে আছে।
      অর্জুন ভীম ইত্যাদি পঞ্চপান্ডবরা শ্রীকৃষ্ণের সাথে যুক্ত হওয়ার সুবাদে যে কল্যাণপ্রাপ্তি হয়েছিল তাতে তাদের গৌরব অসামান্য হয়ে ওঠে অথচ এই পান্ডবদেরই বনবাসে থাকাকালীন উদয়ের জন্য বহুরূপীর বেশ ধারণ করে দিন কাটাতে হয়েছিল।
        দ্রব্যদিকে নিজেদের চোখের সামনে বস্ত্রহীন হতে দেখা পাণ্ডবদের যদি বাস্তবিকই মহাভারতের যুদ্ধ জয় করার মতো সামর্থ্য থাকতো তাহলে দুর্যোধন দূঃশাসনদের ধৃষ্টতা দেখানোরও সাহস হতো না আর সেই ধৃষ্টতা সহ্য করত না।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে পান্ডবদের বিজয়ী হওয়ার পেছনে তাদের সেই বুদ্ধিমত্তাকেই প্রশংসা করা উচিত। তারা শ্রীকৃষ্ণকে আপন করে নিয়েছিল এবং নিজেদেরও শ্রীকৃষ্ণের কাছে সমর্পণ করে ভগবানকে দিয়ে ঘোড়া হাঁকানোর মতো ছোট মাপের কাজ করতে বাধ্য করে তুলেছিল। তারা যদি সেই সময় ভগবানকে আপন করে নেওয়া আর ভগবানের কাছে নিজেদের সমর্পণ করে দেওয়ার মত কাজটি না করে কেবল নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী জীবন কাটানোর চেষ্টা করত তাহলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত রূপ ধারণ করত। এবং তাদেরও হয়তো যাযাবরের মতোই যেমন তেমন করে জীবন কাটাতে হতো। বুদ্ধদেবের সাথে সংযুক্ত হওয়ার সাহস যদি না দেখাতেন তাহলে হর্ষবর্ধন, সম্রাট অশোক, আনন্দ, রাহুল, কুমারজীব, সংঘামিত্রাদের জীবন কত নগণ্য থেকে যেত তা সহজেই অনুমেয়।
      গান্ধীজীর সাথে যদি বিনোবা ভাবে রাজা গোপালাচারী, জহরলাল নেহেরু সর্দার প্যাটেল রাজেন্দ্র প্রসাদজিরা একত্ব স্থাপন না করতেন এবং সকলেই যে যার প্রাধান্য বজায় রেখে স্বাধীনভাবে চলতেন তাহলে সেই পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব হতো না যা তারা সম্মিলিত রূপে করে দেখিয়েছিলেন।
গুরু রামদাসের সাথে ছত্রপতি শিবাজী চারণ্যকদের সাথে রাজা চন্দ্রগুপ্ত পরমহংস দেবের সাথে স্বামী বিবেকানন্দের সখ্যতা ও হৃদ্যতা তাদের উভয় পক্ষের জন্য যে সন্তুষ্টি জনক পরিণাম সৃষ্টি করতে পেরেছিল একথা সকলেই জানে শঙ্করাচার্যের সাথে মান্ধাতা সংযুক্ত হয়ে চারটি তীর্থস্থান গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠতা অর্জন করেছিল। রানা প্রতাপের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠার পরই ভামাশাহের সহযোগিতা সার্থক হয়েছিল, অন্যথায় এত ধনসম্পত্তি বড় মাপের বেপারিদের কাছ থেকে চোর-ডাকাতরা প্রায়শও ছিনিয়ে নিয়ে যায় কিংবা তাদের পুত্র-পুত্রদের দুস্প্রবিত্তির বসবর্তি হয়ে উড়িয়ে দিতে দেখা গিয়ে থাকে।
           মহামানবের সাথে সংযুক্ত হয়ে যাবার পর জীবনের শ্রেয় লাভের পথ যে কত দ্রুতগতিতে প্রশস্ত হয়ে ওঠে তার বহু উদাহরণের মধ্যে তীতির পাখির ছোট্ট ঘটনাটিও সম্মিলিত আছে। যেখানে অগস্ত ঋষির সহায়তায় সমুদ্র শুষে নেওয়া এবং তার ডিম ফেরত পাওয়ার বিবরণ পাওয়া যায়।
সৎ সাহস অবলম্বন করার মাহাত্ম্য চিরকাল ছিল এবং থাকবেও কিন্তু এই পথে এগিয়ে যাওয়ার মত এবং এই বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করার মত মানুষদের মধ্যে তারাই অত্যাধিক ভাগ্যবান বলে বিবেচিত হয় যারা কোন মহৎ সুযোগ সামনে আসা মাত্রই তাকে হাতছাড়া না করার জন্য তৎপরতা দেখাতে পারে মহান ব্যক্তি সব সময় জন্মায় না। যদিও জন্মায়, তাহলে তাদের সাথে সংযুক্ত হয়ে সল্প পরাক্রমের দ্বারা অসীম যশলাভ করার যথার্থ সুযোগ সবাই কোথায় পায়?
ঐশ্বরিক কাজ , সময় এবং দিব্যশক্তি নিজস্ব অদৃশ্য ক্ষমতা দ্বারা স্বয়ংই  সম্পন্ন করে নেয়।
ভাল্লুক ও বানরেরেরা যদি টালবাহানা করে বসে থাকত , তাহলেও সীতা উদ্ধার এবং লঙ্কার দুর্গতি সুনিশ্চিত ছিল। এমন সুযোগে সবচেয়ে বেশি সুফল সেই অগ্রগামিরাই লাভ করে।যারা নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থপরতা ভুলে অগ্রিম প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
      বর্তমান সময়কে ঠিক তেমনি এক গুরুত্তপূর্ণ মুহূর্ত মনে করা উচিত,। যেখানে কোনো সাহসী ও সদাশয় ব্যক্তি যদি ধীর গতিতেও এগিয়ে চলে , তবুও তাকে অধিক শ্রেয় সঞ্চয়করী দূরদর্শীদের মধ্যে একজন বলে বিবেচিত করা যাবে।



তথ্য: বই, পণ্ডিত শ্রীরাম শর্মা আচার্য (ক্ষুদ্রতা ছেড়ে মাহানতার পথে অগ্রসর হন।)

Comments

Popular posts from this blog

গুরু পূর্ণিমা কি এবং কেন পালন করা হয়।

           গুরু পূর্ণিমার মাধ্যমে শীর্ষ তার গুরু কে শ্রদ্ধা জানাই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে পালিত হয় এই অনুষ্ঠান। সনাতন হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মে এই পূর্ণিমার বিশেষ তাৎপর্য আছে।           সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন এই তিথিতেই মনি পরাশর ও তার স্ত্রী মাতা সত্যবতীর ঘরে মহাভারতের রচয়িতা বেদোভ্যাসের জন্ম হয় তাই এই দিনটি মহর্ষি বেদব দেশের জন্ম জয়ন্তী হিসেবেও পালিত হয়।          বিশ্বাস করা হয় মহর্ষি বেশি চারটি বেদের ব্যাখ্যা করেছেন বেদ বিভাজনের শ্রেয় তাকিয়ে দেওয়া হয় তাই তার নাম হয়েছে বেদব্যাস।          এছাড়া ১৮ টি পুরান মহাভারত শ্রীমৎ ভাগবত গীতা তিনি রচনা করেন এই কারণে গুরু পূর্ণিমার আরেকটি নাম ব্যাস পূর্ণিমা।           অন্যদিকে বৌদ্ধ ধর্ম মতে বোধি জ্ঞান লাভের পর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে সারণাথে প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন ভগবান গৌতম বুদ্ধ তার শিষ্যদের ।          হিন্দু পুরান মতে ভগবান শিব বা মহাদেব হলেন আদি গুরু। সপ্তর্ষীর সাতজন ঋ...

দাঁতের রোগ থেকে চির মুক্তি

আট থেকে আসি যে কোন বয়সেই দাঁতের যন্ত্রণায় কাবু হয়নি এমন মানুষ খুবই কম আছে। অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার কারণেই হোক কিংবা শারীরিক অন্য কোন সমস্যার কারণে দাঁতে যদি একবার প্রবলেম হয় সেটা ভীষণ কষ্ট দায়ক হয়ে থাকে আমাদের কাছে। তবে সমস্যাটা যেখান থেকে শুরু হয় তাহলে আমরা বাজার থেকে যে সমস্ত টুথপেস্ট কিনে ব্যবহার করি সেগুলি বেশিভাগই কেমিক্যাল মেশানো থাকে এবং যে কেমিক্যাল আমাদের দাঁত, মাড়ি পক্ষে ক্ষতিকর এবং আমাদের শরীরের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর। অনেক টুথপেস্ট কোম্পানি রয়েছে যারা বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময় অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো হয়। এবং আমরা উপকার না পেয়ে ঘন ঘন টুথপেস্ট চেঞ্জ করতে থাকে এতে আমাদের উপকার নাই হোক  ব্যবসায়ী লাভবান হয়ে থাকে। চলুন  জেনে নেওয়া যাক কোন জিনিসগুলি মেনে চললে আমরা দাঁতের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি....... 1. প্রথমত আপনি আপনার টুথপেস্ট চেঞ্জ করে ফেলুন টুথপেস্ট এর বদলে আপনি গুঁড়ো মাজন ব্যবহার করুন। এই মাজন ব্যবহারের ফলে আপনার দাঁত আরও মজবুত হবে এছাড়া আপনার দাঁত এর রং আরও উজ্জ্বল হবে। 2. আপনি যে ব্রাশ ব্য...

হোম লোন নেওয়ার জন্য আবেদন কিভাবে করবেন এবং কি কি ডকুমেন্টস লাগবে।

বর্তমান সময়ে আপনি যদি আপনার স্বপ্নের বাড়ি বানাতে চান কিংবা আপনার স্বপ্নের ফ্ল্যাট কিনতে চান অথবা আপনার বাড়িটিকে নতুনভাবে সাজাতে চান তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার জমানো টাকা না ভেঙে সহজ কিস্তিতে কম সুদে আপনি হোম লোন নিয়ে আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।         হোম লোন কারা কারা পেতে পারে..... ✓আপনি যদি salary person হন এবং আপনার মাসে ১০ হাজার টাকার উপরে যদি salary হয়ে থাকে তাহলে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ✓ আপনি যদি self employed হন এবং আপনি যে কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন তার মেয়াদ যেন কমপক্ষে পাঁচ বছর হয়ে থাকে এছাড়া আপনার তিন বছরের আইটি রিটার্ন ফাইভ এবং তিন বছরের একাউন্ট স্টেটমেন্ট থাকলে আপনি হোম লোনের আবেদন করতে পারেন। ✓আপনি যদি কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে আপনার জায়গার ডকুমেন্ট দেখিয়ে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এবার জেনে নেব হোম লোন নিতে গেলে আমাদের কি কি ডকুমেন্টস থাকতে হবে। আমি এখানে দুটি পর্যায়ে ডকুমেন্টস নিয়ে আলোচনা করছি। 1) salary person এবং 2) Self employed    salary person: 1. KYC ডকুমেন্টস ভোট...