এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...
Deep breathing বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম হ্যাঁ এটি একটি প্রাণায়াম। এই প্রাণায়ামের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ফুসফুসের অব্যবহৃত অংশকে কাজে লাগিয়ে দেহে অক্সিজেনের বৃদ্ধি করা।
আমাদের বেঁচে থাকার প্রধান অঙ্গ ফুসফুস যেটিকে আমরা অর্ধেকেরও কম ব্যবহার করে থাকি। সাধারণভাবে আমরা ৫০০সিসি বাইক নিয়ে থাকি কিন্তু গভীরভাবে শ্বাস নিলে আরো 1600 শিশু আমরা বায়ু নিতে পারি তাই বোঝাই যাচ্ছে আমাদের অজান্তেই আমরা সারা জীবন আমাদের ফুসফুসের একটি বৃহৎ অংশকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলছি। তাই আমরা যদি গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া অভ্যাস করি তাহলে আমরা ফুসফুসের বেশিরভাগ অংশকে কাজে লাগাতে পারি।
আসুন জেনে নেই এই প্রাণায়াম আমাদের কি কি উপকার করে থাকে......
✓এই প্রাণায়াম অভ্যাসের ফলে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুস শক্তিশালী ও কর্মঠ হয়ে ওঠে।
✓হাঁপানি রোগ প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে এই প্রাণায়ামের।
✓সর্দি কাশি ও ফুসফুস সংক্রান্ত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধেয় বেশি সাহায্য করে।
✓দেহ মন দেশ হতে যোগ প্রফুল্ল থাকে মন শান্ত করে।
✓বুকের খাজার গঠন সুন্দর হয়।
✓মানসিক একাগ্রতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
তাহলে জেনে নিন এই প্রাণায়াম কিভাবে করবেন......
পদ্মাসন বা অন্য কোন সহজ ভঙ্গিতে মেরুদন্ড সোজা রেখে বসুন এবং গভীরভাবে শ্বাস গ্রহণ করুন। পূর্ণ শ্বাস গ্রহণের পর, আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ছাড়ুন । স্বাভাবিকভাবে ছাড়তে থাকুন। খেয়াল রাখবেন শ্বাস নেওয়া এবং নিঃশ্বাস ছাড়ার সময় যেন নাকের মধ্যে আওয়াজ না হয়। এইভাবে আট থেকে দশ বার করতে থাকুন এবং ক্রমশ সময় বাড়িয়ে টানা চার থেকে পাঁচ মিনিট অভ্যাস করবেন।
খেয়াল রাখবেন শ্বাস গ্রহণের সময় যতটা সময় লাগাবেন, নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সময় তার থেকে বেশি সময় লাগাবেন। অভ্যাস করার কিছুক্ষণের মধ্যে যদি আপনাকে ক্লান্তি বোধ হয় তাহলে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে আবার শুরু করতে পারেন। যদি আপনি আরো অন্যান্য ব্যায়াম অভ্যাস করে থাকেন তাহলে ব্যায়ামের শুরুতে অথবা ব্যায়াম আসন অভ্যাসের শেষে আপনি এই প্রাণায়াম করতে পারেন।
Comments
Post a Comment