Skip to main content

পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন যা আপনার মোবাইল ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দেবে......

এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...

অনলাইন ভোটার কার্ডের সাথে আধার লিঙ্ক করুন বাড়িতে বসে

       
     বর্তমান সময়ে ইলেকশন কমিশন ভোটার কার্ডে ইলেকট্রিক অথেন্টিকেশন করার জন্য ভোটার কার্ডের সাথে আধার লিঙ্ক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই কাজটি আপনি বাড়িতে বসে নিজের মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন কোন সমস্যা হবে না। শুধু তাই নয়, আপনি আপনার নিজের সাথে সাথে আপনার বাড়ির সকলের বা আপনার বন্ধু-বান্ধবেরও করে দিতে পারবেন। আপনাকে কোন টাকা খরচা করার প্রয়োজন নেই কিংবা কোন তথ্য মিত্র কেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। তাহলে আসুন দেখে নিই একদম সহজভাবে ধাপে ধাপে কিভাবে আপনি এই কাজটি করতে পারবেন।
1. প্রথমে আপনি নিচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে ভোটার হেল্প লাইন (voter helpline) অ্যাপসটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নেবেন অথবা আপনি আপনার মোবাইল থেকে প্লে স্টোরে গিয়ে এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে পারেন।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.eci.citizen

2. এরপর ডিসক্লেমার পেজটিতে নিচে এসে আই এগ্রি বাটনে ক্লিক করবেন তারপর নেক্সট বোতামে ক্লিক করে পরবর্তী পেজে যাবেন।
3. এরপর নিজের  ভাষা পছন্দ করে নিচে গেট স্টার্টেড বোতামে ক্লিক করবেন।

4. এরপর যে পেজটি খুলবে তার নিচে বাঁ দিকে তিনটি দাগ দেওয়া এক্সপ্লোর বোতামটিতে ক্লিক করুন।
5. এরপর যে ড্রপডাউন মেনুটি আসবে সেখানে ফর্ম 6B সিলেক্ট করুন বা যেখানে লেখা আছে ইলেক্টোরাল অথেন্টিকেশন ফর্ম সেখানে ক্লিক করুন।

6. এরপর নিচে লেটস স্টার্ট বোতাম দিতে ক্লিক করুন।
7. মোবাইল নাম্বার এন্টার করুন এবং সেন্ট ওটিপি তে ক্লিক করুন। যার ভোটের কার্ড আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করছেন তার যে মোবাইল নাম্বারটি আধার কার্ডের সাথে যুক্ত রয়েছে সেই নাম্বারটি এখানে এন্টার করবেন। ওই মোবাইল নাম্বারে ওটিপি আসার পর ওটিপি ওখানে এন্ট্রি করে সাবমিট করুন।
8. এর পরবর্তী পেজটিতে আপনার ভোটার কার্ড যদি পেয়ে থাকেন তাহলে ইয়েস বটনে ক্লিক করবেন কিংবা যদি আপনার কাছে ভোটার কার্ড না থেকে থাকে তাহলে নো তে ক্লিক করে নেক্সট বোতামে ক্লিক করুন। এখানে অনেকেই ভাবতে পারেন যে ভোটার কার্ড না থাকলে আমি লিংক করব কি করে। আসলে অনেকেই ভোটার কার্ড করার জন্য নতুন এপ্লিকেশন করেছেন তাদের কাছে এখনো ভোটের কার্ড এসে হয়তো পৌঁছয়নি তাদের ক্ষেত্রে নো বোতাম টি সিলেক্ট করতে হবে।

9. এরপর ভোটার কার্ড এর আইডি নাম্বারটি এখন এবং নিচে নিজের রাজ্য সিলেট করুন করে ভেরিফাই করুন।
10. ভেরিফাই হয়ে গেলে দেখবেন নিচে লেখা আসবে যে আপনার আইডি নাম্বারটি রেকর্ডে রয়েছে কিনা। যদি আপনি আইডি নাম্বার ঠিক লিখে থাকেন অবশ্যই সিলেকশন কমিশনের রেকর্ডে থাকবে এবং নিচে প্রসেস  বোতামে ক্লিক করবেন।

11. প্রসেস বোতামে ক্লিক করার পর আপনার ভোটার কার্ডের তথ্য প্রদর্শিত হবে আপনি সেটি দেখে নিয়ে নিচে নেক্সট বাটনে ক্লিক করবেন।
12. এরপর আপনার আধার নাম্বার এবং আপনার মোবাইল নাম্বার এ ছাড়া যদি আপনার ইমেল আইডি থেকে থাকে তাহলে ইমেল আইডি এন্ট্রি করবেন যদিও এটা বাধ্যতামূলক নয় তারপর কোন জায়গা থেকে আপনি এপ্লিকেশন করছেন সেই জায়গার নাম লিখে নিচে ডান (Done) লেখা বটনটিতে ক্লিক করবেন।
           এখানে আরেকটি অপশন রয়েছে যাদের কাছে আধার নাম্বার নেই তারা আধার ডিটেলস এর নিচে একটি অপশন রয়েছে আই ডোন্ট হ্যাভ এ আধার নাম্বার ওই অপশনটিতে টিক দিবেন।
13. এরপর আপনার সম্পূর্ণ তথ্য প্রদর্শিত হবে আপনি দেখে নেবেন আপনার কোথাও ভুল আছে কিনা তারপর নিচে কনফার্ম বোতামটিতে ক্লিক করবেন। 
এরপর এপ্লিকেশন সাকসেসফুল দেখাবে এবং একটি অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার জেনারেল হবে যেটি পরবর্তীকালে আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস দেখার জন্য ব্যবহার করবেন।
এই মেসেজটি প্রদর্শিত হওয়ার পর আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পূর্ণ হবে এবং আপনার ভোটের কার্ডের সাথে আধার যুক্ত হয়ে যাবে।

Comments

Popular posts from this blog

গুরু পূর্ণিমা কি এবং কেন পালন করা হয়।

           গুরু পূর্ণিমার মাধ্যমে শীর্ষ তার গুরু কে শ্রদ্ধা জানাই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে পালিত হয় এই অনুষ্ঠান। সনাতন হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মে এই পূর্ণিমার বিশেষ তাৎপর্য আছে।           সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন এই তিথিতেই মনি পরাশর ও তার স্ত্রী মাতা সত্যবতীর ঘরে মহাভারতের রচয়িতা বেদোভ্যাসের জন্ম হয় তাই এই দিনটি মহর্ষি বেদব দেশের জন্ম জয়ন্তী হিসেবেও পালিত হয়।          বিশ্বাস করা হয় মহর্ষি বেশি চারটি বেদের ব্যাখ্যা করেছেন বেদ বিভাজনের শ্রেয় তাকিয়ে দেওয়া হয় তাই তার নাম হয়েছে বেদব্যাস।          এছাড়া ১৮ টি পুরান মহাভারত শ্রীমৎ ভাগবত গীতা তিনি রচনা করেন এই কারণে গুরু পূর্ণিমার আরেকটি নাম ব্যাস পূর্ণিমা।           অন্যদিকে বৌদ্ধ ধর্ম মতে বোধি জ্ঞান লাভের পর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতে সারণাথে প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন ভগবান গৌতম বুদ্ধ তার শিষ্যদের ।          হিন্দু পুরান মতে ভগবান শিব বা মহাদেব হলেন আদি গুরু। সপ্তর্ষীর সাতজন ঋ...

দাঁতের রোগ থেকে চির মুক্তি

আট থেকে আসি যে কোন বয়সেই দাঁতের যন্ত্রণায় কাবু হয়নি এমন মানুষ খুবই কম আছে। অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার কারণেই হোক কিংবা শারীরিক অন্য কোন সমস্যার কারণে দাঁতে যদি একবার প্রবলেম হয় সেটা ভীষণ কষ্ট দায়ক হয়ে থাকে আমাদের কাছে। তবে সমস্যাটা যেখান থেকে শুরু হয় তাহলে আমরা বাজার থেকে যে সমস্ত টুথপেস্ট কিনে ব্যবহার করি সেগুলি বেশিভাগই কেমিক্যাল মেশানো থাকে এবং যে কেমিক্যাল আমাদের দাঁত, মাড়ি পক্ষে ক্ষতিকর এবং আমাদের শরীরের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর। অনেক টুথপেস্ট কোম্পানি রয়েছে যারা বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময় অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো হয়। এবং আমরা উপকার না পেয়ে ঘন ঘন টুথপেস্ট চেঞ্জ করতে থাকে এতে আমাদের উপকার নাই হোক  ব্যবসায়ী লাভবান হয়ে থাকে। চলুন  জেনে নেওয়া যাক কোন জিনিসগুলি মেনে চললে আমরা দাঁতের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি....... 1. প্রথমত আপনি আপনার টুথপেস্ট চেঞ্জ করে ফেলুন টুথপেস্ট এর বদলে আপনি গুঁড়ো মাজন ব্যবহার করুন। এই মাজন ব্যবহারের ফলে আপনার দাঁত আরও মজবুত হবে এছাড়া আপনার দাঁত এর রং আরও উজ্জ্বল হবে। 2. আপনি যে ব্রাশ ব্য...

হোম লোন নেওয়ার জন্য আবেদন কিভাবে করবেন এবং কি কি ডকুমেন্টস লাগবে।

বর্তমান সময়ে আপনি যদি আপনার স্বপ্নের বাড়ি বানাতে চান কিংবা আপনার স্বপ্নের ফ্ল্যাট কিনতে চান অথবা আপনার বাড়িটিকে নতুনভাবে সাজাতে চান তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার জমানো টাকা না ভেঙে সহজ কিস্তিতে কম সুদে আপনি হোম লোন নিয়ে আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।         হোম লোন কারা কারা পেতে পারে..... ✓আপনি যদি salary person হন এবং আপনার মাসে ১০ হাজার টাকার উপরে যদি salary হয়ে থাকে তাহলে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ✓ আপনি যদি self employed হন এবং আপনি যে কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন তার মেয়াদ যেন কমপক্ষে পাঁচ বছর হয়ে থাকে এছাড়া আপনার তিন বছরের আইটি রিটার্ন ফাইভ এবং তিন বছরের একাউন্ট স্টেটমেন্ট থাকলে আপনি হোম লোনের আবেদন করতে পারেন। ✓আপনি যদি কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে আপনার জায়গার ডকুমেন্ট দেখিয়ে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এবার জেনে নেব হোম লোন নিতে গেলে আমাদের কি কি ডকুমেন্টস থাকতে হবে। আমি এখানে দুটি পর্যায়ে ডকুমেন্টস নিয়ে আলোচনা করছি। 1) salary person এবং 2) Self employed    salary person: 1. KYC ডকুমেন্টস ভোট...