Skip to main content

Posts

পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন যা আপনার মোবাইল ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দেবে......

এখানে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য এআই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে: 1. **গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট**: গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট হল একটি এআই-চালিত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে, যেমন রিমাইন্ডার সেট করা, মেসেজ পাঠানো এবং ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে ওয়েবে সার্চ করা। 2. **গুগল লেন্স**: Google লেন্স আপনার ফোনের ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করতে, গাছপালা, ল্যান্ডমার্ক সনাক্তকরণ বা টেক্সট অনুবাদ করার মতো শনাক্ত করা বস্তুর উপর ভিত্তি করে তথ্য এবং ক্রিয়া প্রদান করতে AI ব্যবহার করে। 3. **প্রিজমা ফটো এডিটর**: প্রিজমা ছবিগুলিতে বিভিন্ন শৈল্পিক শৈলী প্রয়োগ করে, ব্যবহারকারীদের অনন্য এবং সৃজনশীল সম্পাদনার বিকল্প প্রদান করে ফটোগুলিকে শিল্পকর্মে রূপান্তর করতে AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। 4. **SwiftKey কীবোর্ড**: SwiftKey হল একটি AI-চালিত কীবোর্ড অ্যাপ যা আপনার টাইপ করার অভ্যাস থেকে শিখে আরও ভাল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক পাঠ্য পরামর্শ, স্বয়ংক্রিয় সংশোধন এবং ইমোজি ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে, Android ডিভাইসে টাইপ করার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।...

চিটফান্ড কোম্পানিতে ইনভেস্ট করা টাকা ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া

      ২০১৪ সালের আগে যে সমস্ত চিটফান্ড কোম্পানি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে তাদের সর্বস্বান্ত করেছিল তাদের মধ্যে থেকে বেশ কিছু কোম্পানির সম্পত্তি সরকার বিক্রি করার ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সেই অর্থ সাধারণ মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এর জন্য বর্তমানে একটি কমিটি রয়েছে যার নাম হলো জাস্টিক এসপি তালুকদার কমিটি( justice SP Talukdar committee ) এই কমিটির একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যার মাধ্যমে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।  এই ওয়েবসাইটে যে সমস্ত কোম্পানির নাম রয়েছে, শুধুমাত্র সেই সমস্ত কোম্পানিতে যারা টাকা লগ্নি করে রেখেছেন তারাই টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।       তবে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার যে কোম্পানিতে ইনভেস্ট রয়েছে সেই কোম্পানির নাম সিলেক্ট করে সেই কোম্পানির লগ্নিকারীদের জন্য প্রকাশিত যে নোটিশ রয়েছে সেটি দেখে নেবেন কারণ বিভিন্ন কোম্পানির জন্য বিভিন্ন তারিখ দেওয়া রয়েছে আবেদন করার জন্য। এটি সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়া এবং এই কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনলাইনে মাধ্যমে সমস্ত প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং ...

মোবাইল হারিয়ে গেলে কিভাবে খুঁজে পাবেন

         বর্তমান সময়ে মোবাইল আমাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমাদের দৈনন্দিন কর্মজীবনে মোবাইল ভীষণভাবে কর্ম সহযোগী হয়ে উঠেছে কারণ আমরা এখন মোবাইল শুধুমাত্র যোগাযোগ করার জন্য বা কাউকে কোন বার্তা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করছি না এটিকে আমরা ডকুমেন্ট স্টোর হিসেবেও ব্যবহার করে থাকি এছাড়া বর্তমানে অনেকেরই দৈনন্দিন কাজকর্ম মোবাইল এর মাধ্যমেই হয়ে থাকে কিন্তু আমাদের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি যদি হারিয়ে যায় তাহলে আমরা কি করে সেটিকে আবার খুঁজে পেতে পারি। আসুন জেনে নেই আমাদের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গুলি এখন থেকেই নেওয়া দরকার আমার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলটিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য........ প্রথমেই বলবো আপনি যখন মোবাইলটি ক্রয় করছেন কিংবা আপনি যখন আমার এই ব্লকটি পরছেন আপনি আপনার মোবাইলের ১৫ সংখ্যার IMEI নাম্বারটি বের করে নিজের কাছে নোট করে রেখে দিন। এই নম্বরটি বের করার জন্য আপনার মোবাইলে টাইপ করুন *#06# আপনা হতেই মোবাইলের স্কিনে দুটি পার্ট এ ১৫ সংখ্যার IMEI নাম্বারটি দেখতে পাবেন - IMEI 1, IMEI 2 যেহেতু মোবাইলে দুটি সিম স্লট থাকে ত...

মহানতার সাথে যুক্ত হও ক্ষুদ্রতা ত্যাগ কর

         সুযোগকে সঠিকভাবে চিনে নিয়ে তার সদুপযোগ যারা করতে পেরেছে তারাই চিরকাল শ্রেষ্ঠতার অধিকারী হতে পেরেছে। আর যদি যখনই সময়ের পরিবর্তন হয়েছে তখন তা কারো একার দ্বারা নয় বরং সকল অগ্রগামীদের সামুহিক প্রয়াসের মাধ্যমেই সেই মহৎ পুরুষার্থ সম্পন্ন হয়েছে। অবতারদের পরম্পরাও এই বিষয়ে সাক্ষী আছে। যেমন রাম অবতরণের সময় লক্ষণ, হনুমান, অঙ্গদ, বিভীষণ, সুগ্রিব, নল ও নলিদের মতো বলিষ্ঠ এবং সামান্য ভাল্লুক ও বানর সেনার মত কনিষ্ঠরা সকলে মিলে সমানভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। জটায়ু আর ছোট্ট কাঠবিড়ালির মত অকিঞ্চনরাও তাদের সামর্থ্য অনুসারে নিজেদের ভূমিকা পালন করেছিল। কৃষ্ণের সময়ে পঞ্চপান্ডব থেকে শুরু করে গোঁফ বালোকরা পর্যন্ত সবাই মিলে সহযোগিতা করেছিল বুদ্ধদেবের সাথে তার ভিক্ষুকরা এবং গান্ধীজীর সাথে সত্যাগ্রহীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলেছিলেন।          ঈশ্বর সর্বশক্তিমান তিনি ইচ্ছা করলেই এই পৃথিবীকে তার আঙুলের ডগায় তুলে ধরতে পারেন এবং বরাহ ও নৃসিংহের মতো একাই অভিষ্ঠ প্রয়োজনও পূর্ণ করতে পারেন কিন্তু প্রিয়জনদের শ্রেয় প্রদান করাও অবতারদের একটি অন্যতম বড় গাছ ...

বর্তমান সময়ের সেরা ইনকাম প্ল্যান সাথে জীবন বীমা সুরক্ষা Tata AIA fortuner guarantee Plus

আমরা যখন ইনভেস্টমেন্ট এর কথা ভাবি তখন আমাদের জানা দরকার আমরা যে, ইনভেস্টটা করছি সেটা ভবিষ্যতে আমাদের কতটা লাভজনক হবে এবং ইনভেসমেন্ট এর জায়গাটা কতটা সুরক্ষিত। এছাড়া আমার ওই ইনভেস্ট প্লান্টি সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। তো চলুন আজ আমরা জেনে নেব এমনই একটি ইনকাম ইন্সুরেন্স প্লানের কথা।    Tata AIA fortune guarantee Plus এই প্ল্যানটি সম্পর্কে আজ আমি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব । আমরা জানি টাটা গ্রুপ আমাদের কাছে একটা বড় আস্থার জায়গা বিশ্বাসের জায়গা এবং সেই জায়গাটা কোম্পানি দীর্ঘ বছর ধরে দেশের পাশে মানুষের পাশে থেকে তার সুনাম ধরে রেখেছেন। তাই ইনভেসমেন্ট এর জায়গাটা সম্পর্কে আমাদের কোন সন্দেহের অবকাশ থাকা উচিত নয়। তবে এটা জেনে নেব টাটা গ্রুপের এই প্লানটি আমাদের কাছে কতটা লাভজনক। এই প্ল্যানটিতে তিন রকম সুরক্ষা রয়েছে......  প্রথমটি, হল দীর্ঘমেয়াদী ইনকাম প্লেনের সুবিধা।  দ্বিতীয়টি, হল পলিসি প্রিমিয়াম ট্রাম্প পর্যন্ত জীবন বীমা সুরক্ষা। এবং  তৃতীয়টি, হল বিভিন্ন রাইডার্স যোগ করার সুবিধা।   এছাড়াও আপনি ট্যাক্স বেনিফিটের সুবিধা পাবেন। আসুন আমরা আর...

হোম লোন নেওয়ার জন্য আবেদন কিভাবে করবেন এবং কি কি ডকুমেন্টস লাগবে।

বর্তমান সময়ে আপনি যদি আপনার স্বপ্নের বাড়ি বানাতে চান কিংবা আপনার স্বপ্নের ফ্ল্যাট কিনতে চান অথবা আপনার বাড়িটিকে নতুনভাবে সাজাতে চান তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার জমানো টাকা না ভেঙে সহজ কিস্তিতে কম সুদে আপনি হোম লোন নিয়ে আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।         হোম লোন কারা কারা পেতে পারে..... ✓আপনি যদি salary person হন এবং আপনার মাসে ১০ হাজার টাকার উপরে যদি salary হয়ে থাকে তাহলে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ✓ আপনি যদি self employed হন এবং আপনি যে কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন তার মেয়াদ যেন কমপক্ষে পাঁচ বছর হয়ে থাকে এছাড়া আপনার তিন বছরের আইটি রিটার্ন ফাইভ এবং তিন বছরের একাউন্ট স্টেটমেন্ট থাকলে আপনি হোম লোনের আবেদন করতে পারেন। ✓আপনি যদি কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে আপনার জায়গার ডকুমেন্ট দেখিয়ে আপনি হোম লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এবার জেনে নেব হোম লোন নিতে গেলে আমাদের কি কি ডকুমেন্টস থাকতে হবে। আমি এখানে দুটি পর্যায়ে ডকুমেন্টস নিয়ে আলোচনা করছি। 1) salary person এবং 2) Self employed    salary person: 1. KYC ডকুমেন্টস ভোট...

Tata AIA insta protect Life insurance আপনি কেন করবেন।

Tata AIA insta protect এটি একটি সুন্দর ইন্সুরেন্স প্ল্যান। বর্তমান সময়ে টাটা গ্রুপ ভারতবর্ষে অগ্রগতির জন্য কত বড় অবদান দিয়ে চলেছেন তা আমাদের সবার জানা। তাই টাটা গ্রুপ  শুধু দেশের শিল্প নয় দেশের মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করে তাদের পরিবারের সুরক্ষার কোথাও ভেবে চলেছেন। Tata AIA insta product সেই রকমই একটি প্ল্যান যার মধ্যে আপনি জীবনের সম্পূর্ণ সুরক্ষা পেয়ে যাবেন। এখানে জীবনের সুরক্ষা মূল্য তিনটি পর্যায়ে দেওয়া হয়ে থাকে ২৫ লক্ষ, ৫০ লক্ষ এবং ৭৫ লক্ষ। আপনি যেই মূল্যের সুরক্ষা নিতে চাইবেন আপনার প্রিমিয়াম সেই অনুযায়ী আসবে তবে বাজারে অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় অনেকটাই কম প্রিমিয়াম দিতে হবে আপনাকে। এখানে আমি 25 লক্ষ টাকার সুরক্ষা মূল্য হিসাবে আমি আলোচনা করছি। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই পলিসি থেকে আমরা কি কি বেনিফিট পেতে পারি.. 1. Criticare plus benefit: এখানে আপনি 40 টিরও বেশি জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য সুরক্ষা পাবেন       2. Hospital benefit : আপনি যদি হসপিটালে এডমিট হয়ে থাকেন তাহলে সেখানে যাবতীয় খরচ পেয়ে যাবেন। এছাড়া এখানে আরো একটি সুবিধা রয়েছে তা হলো অন...

বাড়িতেই কাজটি অভ্যাস করলে হাঁপানির মতো রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন

বর্তমানে হাঁপানি রোগে আক্রান্ত এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম নয়। ক্রমশই এই সংখ্যাটা বেড়ে চলেছে। তবে আমরা এই রোগ থেকে চাইলেই মুক্তি পেতে পারি। তার জন্য বিশেষ পরিশ্রম করতে হবে না কিংবা প্রচুর টাকা খরচ করে ডাক্তার এর কাছে ছুটতে হবে না। আমরা বাড়িতেই এর চিকিৎসা শুরু করতে পারি।      Deep breathing বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম হ্যাঁ এটি একটি প্রাণায়াম। এই প্রাণায়ামের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ফুসফুসের অব্যবহৃত অংশকে কাজে লাগিয়ে দেহে অক্সিজেনের বৃদ্ধি করা।     আমাদের বেঁচে থাকার প্রধান অঙ্গ ফুসফুস যেটিকে আমরা অর্ধেকেরও কম ব্যবহার করে থাকি। সাধারণভাবে আমরা ৫০০সিসি বাইক নিয়ে থাকি কিন্তু গভীরভাবে শ্বাস নিলে আরো 1600 শিশু আমরা বায়ু নিতে পারি তাই বোঝাই যাচ্ছে আমাদের অজান্তেই আমরা সারা জীবন আমাদের ফুসফুসের একটি বৃহৎ অংশকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলছি। তাই আমরা যদি  গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া অভ্যাস করি তাহলে আমরা ফুসফুসের বেশিরভাগ অংশকে কাজে লাগাতে পারি।         আসুন জেনে নেই এই প্রাণায়াম আমাদের কি কি উপকার করে থাকে...